জেন ফন্ডা - উইকিপিডিয়া
বিষয়বস্তুতে চলুন
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জেন ফন্ডা
Jane Fonda
২০১৫ সালে
কান চলচ্চিত্র উৎসবে
ফন্ডা
জন্ম
জেন সিমোর ফন্ডা
1937-12-21
২১ ডিসেম্বর ১৯৩৭
(বয়স
৮৮)
নিউ ইয়র্ক সিটি
নিউ ইয়র্ক
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
নাগরিকত্ব
মার্কিন
পেশা
অভিনেত্রী, লেখক, সমাজকর্মী
কর্মজীবন
১৯৬০–বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গী
রজার ভাদিম
বি.
১৯৬৫
বিবাহবিচ্ছেদ
১৯৭৩
টম হেডেন
বি.
১৯৭৩
বিবাহবিচ্ছেদ
১৯৯০
টেড টার্নার
বি.
১৯৯১
বিবাহবিচ্ছেদ
২০২৬
সঙ্গী
রিচার্ড পেরি
(২০০৯–২০১৭)
সন্তান
৩:
ট্রয় গ্যারিটি
ম্যারি লুয়ানা উইলিয়ামস
(দত্তক)
পিতা-মাতা
হেনরি ফন্ডা
ফ্রান্সেস ফোর্ড সিমোর
আত্মীয়
পিটার ফন্ডা
(ভাই)
ব্রিজেট ফন্ডা
(ভাইজি)
জেন সিমোর ফন্ডা
ইংরেজি
: Jane Seymour Fonda;
জন্ম: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৩৭)
হলেন একজন মার্কিন অভিনেত্রী, লেখিকা, রাজনৈতিক কর্মী ও প্রাক্তন ফ্যাশন মডেল ও শরীরচর্চা গুরু। তিনি দুইবার
একাডেমি পুরস্কার
ও দুইবার
বাফটা পুরস্কার
বিজয়ী। ২০১৪ সালে তিনি
আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট
থেকে
এএফআই আজীবন সম্মাননা পুরস্কার
লাভ করেন।
ব্রডওয়ে থিয়েটারের ১৯৬০ সালে মঞ্চনাটক
দেয়ার ওয়াজ আ লিটল গার্ল
দিয়ে ফন্ডার অভিনয়ে অভিষেক হয়। এই নাটকে অভিনয়ের জন্য তিনি তার প্রথম দুটি
টনি পুরস্কারের
মনোনয়ন লাভ করেন। একই বছর
টল স্টোরি
দিয়ে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। তিনি ১৯৬০ এর দশকে
পিরিয়ড অব অ্যাডজাস্টমেন্ট
(১৯৬২),
ওয়াক অব দ্য ওয়াইল্ড সাইড
(১৯৬২),
সানডে ইন নিউ ইয়র্ক
(১৯৬৩),
ক্যাট বালৌ
(১৯৬৫),
বেয়ারফুট ইন দ্য পার্ক
(১৯৬৭) এবং
বার্বারেলা
(১৯৬৮) চলচ্চিত্র দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।
বার্বারেলা
চলচ্চিত্রের পরিচালক
রজার ভাদিম
ছিলেন তার প্রথম স্বামী। ১৯৬৯ সালে
দে শুট হর্সেস, ডোন্ট দে?
চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথমবারের মত
একাডেমি পুরস্কারের
মনোনয়ন লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি আরও ছয়টি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন, যার মধ্যে
ক্লুট
(১৯৭১) ও
কামিং হোম
(১৯৭৮) চলচ্চিত্রের জন্য দুইবার
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জন্য একাডেমি পুরস্কার
লাভ করেন। তার অভিনীত একাডেমি পুরস্কারের মনোনীত অন্যান্য চলচ্চিত্রসমূহ হল
জুলিয়া
(১৯৭৭),
দ্য চায়না সিনড্রোম
(১৯৭৯),
অন গোল্ডেন পন্ড
(১৯৮১), এবং
দ্য মর্নিং আফটার
(১৯৮৬)। এছাড়া তিনি ১৯৮৪ সালে
দ্য ডলমেকার
টেলিভিশন চলচ্চিত্রের জন্য একটি
এমি পুরস্কার
জুলিয়া
দ্য চায়না সিনড্রোম
চলচ্চিত্রের জন্য দুইবার
বাফটা পুরস্কার
এবং চারবার
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার
লাভ করেন।
প্রারম্ভিক জীবন
সম্পাদনা
জেন সিমোর ফন্ডা ১৯৩৭ সালের ২১শে ডিসেম্বর
নিউ ইয়র্ক সিটিতে
জন্মগ্রহণ করেন।
তার পিতা
হেনরি ফন্ডা
(১৯০৫-১৯৮২) ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও অভিনেতা এবং মাতা
ফ্রান্সেস ফোর্ড সিমোর
(১৯০৮-১৯৫০) ছিলেন একজন কানাডীয়-বংশোদ্ভূত সমাজকর্মী। তার পিতার মতে, তাদের উপনাম ফন্ডা এসেছে তাদের ১৫০০ এর দশকে ইতালীয় পূর্বসূরিদের নাম থেকে, যারা নেদারল্যান্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।
সেখানে তারা অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং ১৬৫০ সালে নিউ ইয়র্কে আসা জেনের প্রথম ফন্ডা পূর্বসূরির নামানুসারে পরিবারটি ওলন্দাজ উপনাম ব্যবহার শুরু করেন।
এছাড়া তার পূর্বসূরিদের মধ্যে ইংরেজ, স্কটিশ, ও ফরাসি রয়েছেন। জেনের নাম রাখা হয়
অষ্টম হেনরির
স্ত্রী
জেন সিমোরের
নামানুসারে, যার সাথে তার মায়ের দিক থেকে সম্পর্ক রয়েছে।
তার ছোট ভাই
পিটার ফন্ডা
একজন অভিনেতা, এবং তার বৈমাত্রেয় বোন ফ্রান্সেস ডি ভিলার্স ব্রোকৌ। ব্রোকৌর কন্যা পিলার কোরিয়াস লন্ডনের পিলার কোরিয়াস চিত্রশালার মালিক।
১৯৫০ সালে ফন্ডার যখন বারো বছর বয়স তখন তার মা নিউ ইয়র্কের বিকনে ক্রেইগ হাউজ মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আত্মহত্যা করেন।
১০
১১
পরের বছর তার পিতা সুজান ব্ল্যানচার্ডকে বিয়ে করেন। সুজান তখন জেনের থেকে মাত্র নয় বছরের বড় ছিলেন। ১৫ বছর বয়সে জেন নিউ ইয়র্কের ফায়ার আইল্যান্ড পাইনসে নৃত্য শিখেন।
১২
তিনি কানেক্টিকাটের গ্রিনউইচ একাডেমিতে পড়াশুনা করেন। পরবর্তীতে তিনি নিউ ইয়র্কের ট্রয়ের এমা উইলার্ড স্কুল ও পাউকিপসির ভাসার কলেজে পড়াশুনা করেন।
১৩
অভিনয় জীবন শুরুর পূর্বে তিনি মডেল ছিলেন এবং তাকে দুইবার
ভোগ
সাময়িকীর প্রচ্ছদে দেখা গিয়েছিল।
১৪
গ্রেফতার
সম্পাদনা
১১ অক্টোবর ২০১৯ সালে
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে
জলবায়ু পরিবর্তনের
বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেয়ার সময় পুলিশ তাকে আটক করে। জেন ফন্ডা বিক্ষোভে অংশ নেয়ার সময় উজ্জ্বল লাল রঙের ওভারকোট পরিহিত ছিলেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
১৫
এ অবস্থায় পুলিশ তার দ দু‘হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে বিক্ষোভকারী দল থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
১৬
পাদটীকা
সম্পাদনা
The Fonda immigrant ancestor came from
Eagum
(also spelled Augum or Agum), a village in
Friesland
, a northern province of the Netherlands. Jellis Douwe Fonda (1614–1659), a Dutch immigrant from Friesland, immigrated and first went to Beverwyck (now
Albany
) in 1650; he was the founder of the City of
Fonda, New York
তথ্যসূত্র
সম্পাদনা
Davidson, Bill (১৯৯০)।
Jane Fonda: An Intimate Biography
(ইংরেজি ভাষায়)। Dutton। পৃ.
৩৯
আইএসবিএন
৯৭৮০৫২৫২৪৮৮৮০
Jane was
christened
Jane Seymour Fonda and, as a child, was known as Lady Jane by her mother and everyone else.
"Jane Fonda Biography: Actress (1937–)"
(ইংরেজি ভাষায়)। Biography.com (
FYI
A&E Networks
। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
Fonda, Henry
(১৯৮১)।
My Life
(ইংরেজি ভাষায়)। New York: Dutton।
"Descendants of Jellis Douw Fonda (1614–1659)"
(ইংরেজি ভাষায়)। fonda.org।
"Ancestry of Peter Fonda"
(ইংরেজি ভাষায়)।
genealogy.com
। ১৫ মার্চ ২০১২ তারিখে
মূল থেকে
আর্কাইভকৃত।
Kiernan, Thomas (১৯৭৩)।
'Jane: An Intimate Biography of Jane Fonda
। Putnam। পৃ.
১২
Andersen, Christopher P. (১৯৯১)।
Citizen Jane: The Turbulent Life of Jane Fonda
(ইংরেজি ভাষায়)। Dell। পৃ.
১৪
Fonda, 2005, p. 41.
Craven, Jo (১২ অক্টোবর ২০০৮)।
"Pilar Corrias: a new gallery for a new era"
দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ
(ইংরেজি ভাষায়)। London
। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
"The Craig House Institute / Tioranda, Beacon"
(ইংরেজি ভাষায়)। Roadtrippers
। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
Fonda, 2005, pp. 16–17.
"SAGE Nets $35K at Annual Pines Fête"
(ইংরেজি ভাষায়)। Fire Island News। ২৫ জুন ২০০৮। ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে
মূল থেকে
আর্কাইভকৃত
। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
Sonneborn, Liz (২০০২)।
A to Z of American women in the performing arts
(ইংরেজি ভাষায়)। New York: Facts on File। পৃ.
৭১
আইএসবিএন
০-৮১৬০-৪৩৯৮-১
Browne, Pat; Browne, Ray Broadus (২০০১)।
The guide to United States popular culture
(ইংরেজি ভাষায়)। Bowling Green, OH: Bowling Green State University Popular Press। পৃ.
২৮৮
আইএসবিএন
০-৮৭৯৭২-৮২১-৩
"US actress Jane Fonda arrested at climate protest"
(ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ১১ অক্টোবর ২০১৯
। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৯
"অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেন ফন্ডা আটক"
জাগো নিউজ
(মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)
। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৯
বহিঃসংযোগ
সম্পাদনা
উইকিমিডিয়া কমন্সে
জেন ফন্ডা
সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।
উইকিউক্তিতে
জেন ফন্ডা
সম্পর্কিত উক্তির সংকলন রয়েছে।
ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে
জেন ফন্ডা
(ইংরেজি)
ইন্টারনেট ব্রডওয়ে ডেটাবেজে
জেন ফন্ডা
(ইংরেজি)
জেন ফন্ডা গৃহীত পুরস্কারসমূহ
দে
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার
১৯২৮–১৯৫০
জ্যানেট গেনর
(১৯২৮)
ম্যারি পিকফোর্ড
(১৯২৯)
নর্মা শিয়েরার
(১৯৩০)
মারি ড্রেসলার
(১৯৩১)
হেলেন হেইস
(১৯৩২)
ক্যাথরিন হেপবার্ন
(১৯৩৩)
ক্লডেট কোলবার্ট
(১৯৩৪)
বেটি ডেভিস
(১৯৩৫)
লুইস রাইনার
(১৯৩৬)
লুইস রাইনার
(১৯৩৭)
বেটি ডেভিস
(১৯৩৮)
ভিভিয়েন লেই
(১৯৩৯)
জিঞ্জার রজার্স
(১৯৪০)
জোন ফন্টেইন
(১৯৪১)
গ্রির গারসন
(১৯৪২)
জেনিফার জোন্স
(১৯৪৩)
ইংরিদ বারিমান
(১৯৪৪)
জোন ক্রফোর্ড
(১৯৪৫)
অলিভিয়া ডা হ্যাভিলন্ড
(১৯৪৬)
লরেট্টা ইয়াং
(১৯৪৭)
জেন ওয়াইম্যান
(১৯৪৮)
অলিভিয়া ডা হ্যাভিলন্ড
(১৯৪৯)
জুডি হলিডে
(১৯৫০)
১৯৫১–১৯৭৫
ভিভিয়েন লেই
(১৯৫১)
শার্লি বুথ
(১৯৫২)
অড্রে হেপবার্ন
(১৯৫৩)
গ্রেস কেলি
(১৯৫৪)
আনা মানিয়ানি
(১৯৫৫)
ইংরিদ বারিমান
(১৯৫৬)
জোঅ্যান উডওয়ার্ড
(১৯৫৭)
সুজান হেওয়ার্ড
(১৯৫৮)
সিমন সিনিয়রে
(১৯৫৯)
এলিজাবেথ টেইলর
(১৯৬০)
সোফিয়া লরেন
(১৯৬১)
অ্যান ব্যানক্রফ্‌ট
(১৯৬২)
প্যাট্রিশিয়া নিল
(১৯৬৩)
জুলি অ্যান্ড্রুজ
(১৯৬৪)
জুলি ক্রিস্টি
(১৯৬৫)
এলিজাবেথ টেইলর
(১৯৬৬)
ক্যাথরিন হেপবার্ন
(১৯৬৭)
ক্যাথরিন হেপবার্ন
বারবারা স্ট্রাইস্যান্ড
(১৯৬৮)
ম্যাগি স্মিথ
(১৯৬৯)
গ্লেন্ডা জ্যাকসন
(১৯৭০)
জেন ফন্ডা
(১৯৭১)
লাইজা মিনেলি
(১৯৭২)
গ্লেন্ডা জ্যাকসন
(১৯৭৩)
এলেন বার্স্টিন
(১৯৭৪)
লুইস ফ্লেচার
(১৯৭৫)
১৯৭৬–২০০০
ফে ডানাওয়ে
(১৯৭৬)
ডায়ান কিটন
(১৯৭৭)
জেন ফন্ডা
(১৯৭৮)
স্যালি ফিল্ড
(১৯৭৯)
সিসি স্পেসেক
(১৯৮০)
ক্যাথরিন হেপবার্ন
(১৯৮১)
মেরিল স্ট্রিপ
(১৯৮২)
শার্লি ম্যাকলেইন
(১৯৮৩)
স্যালি ফিল্ড
(১৯৮৪)
জেরাল্ডিন পেজ
(১৯৮৫)
মার্লি ম্যাটলিন
(১৯৮৬)
শের
(১৯৮৭)
জোডি ফস্টার
(১৯৮৮)
জেসিকা ট্যান্ডি
(১৯৮৯)
ক্যাথি বেট্‌স
(১৯৯০)
জোডি ফস্টার
(১৯৯১)
এমা টমসন
(১৯৯২)
হলি হান্টার
(১৯৯৩)
জেসিকা ল্যাং
(১৯৯৪)
সুজান সার‍্যান্ডন
(১৯৯৫)
ফ্র্যান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড
(১৯৯৬)
হেলেন হান্ট
(১৯৯৭)
গ্বিনিথ পালট্রো
(১৯৯৮)
হিলারি সোয়াঙ্ক
(১৯৯৯)
জুলিয়া রবার্টস
(২০০০)
২০০১–বর্তমান
হ্যালি বেরি
(২০০১)
নিকোল কিডম্যান
(২০০২)
শার্লিজ থেরন
(২০০৩)
হিলারি সোয়াঙ্ক
(২০০৪)
রিজ উইদারস্পুন
(২০০৫)
হেলেন মিরেন
(২০০৬)
মারিয়োঁ কোতিয়ার
(২০০৭)
কেট উইন্সলেট
(২০০৮)
সান্ড্রা বুলক
(২০০৯)
ন্যাটালি পোর্টম্যান
(২০১০)
মেরিল স্ট্রিপ
(২০১১)
জেনিফার লরেন্স
(২০১২)
কেট ব্লানচেট
(২০১৩)
জুলিঅ্যান মুর
(২০১৪)
ব্রি লারসন
(২০১৫)
এমা স্টোন
(২০১৬)
ফ্র্যান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড
(২০১৭)
অলিভিয়া কলম্যান
(২০১৮)
রানে জেলওয়েগার
(২০১৯)
ফ্র্যান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড
(২০২০)
জেসিকা চ্যাস্টেইন
(২০২১)
মিশেল ইয়ো
(২০২২)
এমা স্টোন
(২০২৩)
মাইকি ম্যাডিসন
(২০২৪)
জেসি বাকলি
(২০২৫)
দে
এএফআই আজীবন সম্মাননা পুরস্কার
১৯৭৩-২০০০
জন ফোর্ড
(১৯৭৩)
জেমস ক্যাগনি
(১৯৭৪)
অরসন ওয়েলস
(১৯৭৫)
উইলিয়াম ওয়াইলার
(১৯৭৬)
বেটি ডেভিস
(১৯৭৭)
হেনরি ফন্ডা
(১৯৭৮)
আলফ্রেড হিচকক
(১৯৭৯)
জেমস স্টুয়ার্ট
(১৯৮০)
ফ্রেড অ্যাস্টেয়ার
(১৯৮১)
ফ্রাঙ্ক ক্যাপ্রা
(১৯৮২)
জন হিউস্টন
(১৯৮৩)
লিলিয়ান গিশ
(১৯৮৪)
জিন কেলি
(১৯৮৫)
বিলি ওয়াইল্ডার
(১৯৮৬)
বারবারা স্ট্যানউইক
(১৯৮৭)
জ্যাক লেমন
(১৯৮৮)
গ্রেগরি পেক
(১৯৮৯)
ডেভিড লিন
(১৯৯০)
কার্ক ডগলাস
(১৯৯১)
সিডনি পোয়াটিয়ে
(১৯৯২)
এলিজাবেথ টেলর
(১৯৯৩)
জ্যাক নিকোলসন
(১৯৯৪)
স্টিভেন স্পিলবার্গ
(১৯৯৫)
ক্লিন্ট ইস্টউড
(১৯৯৬)
মার্টিন স্কোরসেজি
(১৯৯৭)
রবার্ট ওয়াইজ
(১৯৯৮)
ডাস্টিন হফম্যান
(১৯৯৯)
হ্যারিসন ফোর্ড
(২০০০)
২০০১-বর্তমান
বারবারা স্ট্রাইস্যান্ড
(২০০১)
টম হ্যাঙ্কস
(২০০২)
রবার্ট ডি নিরো
(২০০৩)
মেরিল স্ট্রিপ
(২০০৪)
জর্জ লুকাস
(২০০৫)
শন কনারি
(২০০৬)
আল পাচিনো
(২০০৭)
ওয়ারেন বেটি
(২০০৮)
মাইকেল ডগলাস
(২০০৯)
মাইক নিকোলস
(২০১০)
মরগ্যান ফ্রিম্যান
(২০১১)
শার্লি ম্যাকলেইন
(২০১২)
মেল ব্রুক্স
(২০১৩)
জেন ফন্ডা
(২০১৪)
স্টিভ মার্টিন
(২০১৫)
জন উইলিয়ামস
(২০১৬)
ডায়ান কিটন
(২০১৭)
জর্জ ক্লুনি
(২০১৮)
দে
শ্রেষ্ঠ প্রধান চরিত্রে অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার
১৯৫২-১৯৬৭
ভিভিয়েন লেই
ব্রিটিশ
সিমন সিনিয়রে
বিদেশি
(১৯৫২)
অড্রি হেপবার্ন
ব্রিটিশ
লেসলি কারোঁ
বিদেশি
(১৯৫৩)
ইভন মিশেল
ব্রিটিশ
কর্নেল বোর্চার্স
বিদেশি
(১৯৫৪)
ক্যাটি জনসন
ব্রিটিশ
বেট্‌সি ব্লেয়ার
বিদেশি
(১৯৫৫)
ভার্জিনিয়া ম্যাকেনা
ব্রিটিশ
আনা মানিয়ানি
বিদেশি
(১৯৫৬)
হিদার সিয়ার্স
ব্রিটিশ
সিমন সিনিয়রে
বিদেশি
(১৯৫৭)
আইরিন ওয়ার্থ
ব্রিটিশ
সিমন সিনিয়রে
বিদেশি
(১৯৫৮)
অড্রি হেপবার্ন
ব্রিটিশ
শার্লি ম্যাকলেইন
বিদেশি
(১৯৫৯)
রেচেল রবার্টস
ব্রিটিশ
শার্লি ম্যাকলেইন
বিদেশি
(১৯৬০)
ডোরা ব্রায়ান
ব্রিটিশ
সোফিয়া লরেন
বিদেশি
(১৯৬১)
লেসলি কারোঁ
ব্রিটিশ
অ্যান ব্যানক্রফ্‌ট
বিদেশি
(১৯৬২)
রেচেল রবার্টস
ব্রিটিশ
প্যাট্রিশিয়া নিল
বিদেশি
(১৯৬৩)
অড্রি হেপবার্ন
ব্রিটিশ
অ্যান ব্যানক্রফ্‌ট
বিদেশি
(১৯৬৪)
জুলি ক্রিস্টি
ব্রিটিশ
প্যাট্রিশিয়া নিল
বিদেশি
(১৯৬৫)
এলিজাবেথ টেলর
ব্রিটিশ
জান মোরো
বিদেশি
(১৯৬৬)
ইডিথ এভান্স
ব্রিটিশ
আনুক এমে
বিদেশি
(১৯৬৭)
১৯৬৭-২০০০
ক্যাথরিন হেপবার্ন
(১৯৬৮)
ম্যাগি স্মিথ
(১৯৬৯)
ক্যাথরিন রস
(১৯৭০)
গ্লেন্ডা জ্যাকসন
(১৯৭১)
লাইজা মিনেলি
(১৯৭২)
স্টেফানি অড্রান
(১৯৭৩)
জোঅ্যান উডওয়ার্ড
(১৯৭৪)
এলেন বার্স্টিন
(১৯৭৫)
লুইস ফ্লেচার
(১৯৭৬)
ডায়ান কিটন
(১৯৭৭)
জেন ফন্ডা
(১৯৭৮)
জেন ফন্ডা
(১৯৭৯)
জুডি ডেভিস
(১৯৮০)
মেরিল স্ট্রিপ
(১৯৮১)
ক্যাথরিন হেপবার্ন
(১৯৮২)
জুলি ওয়াল্টার্স
(১৯৮৩)
ম্যাগি স্মিথ
(১৯৮৪)
পেগি অ্যাশক্রফ্‌ট
(১৯৮৫)
ম্যাগি স্মিথ
(১৯৮৬)
অ্যান ব্যানক্রফ্‌ট
(১৯৮৭)
ম্যাগি স্মিথ
(১৯৮৮)
পলিন কলিন্স
(১৯৮৯)
জেসিকা ট্যান্ডি
(১৯৯০)
জোডি ফস্টার
(১৯৯১)
এমা টমসন
(১৯৯২)
হলি হান্টার
(১৯৯৩)
সুজান সার‍্যান্ডন
(১৯৯৪)
এমা টমসন
(১৯৯৫)
ব্রেন্ডা ব্লেদিন
(১৯৯৬)
জুডি ডেঞ্চ
(১৯৯৭)
কেট ব্লানচেট
(১৯৯৮)
অ্যানেট বেনিং
(১৯৯৯)
জুলিয়া রবার্টস
(২০০০)
২০০১-বর্তমান
জুডি ডেঞ্চ
(২০০১)
নিকোল কিডম্যান
(২০০২)
স্কার্লেট জোহ্যানসন
(২০০৩)
ইমেল্ডা স্টনটন
(২০০৪)
রিজ উইদারস্পুন
(২০০৫)
হেলেন মিরেন
(২০০৬)
মারিয়োঁ কোতিয়ার
(২০০৭)
কেট উইন্সলেট
(২০০৮)
কেরি মুলিগান
(২০০৯)
ন্যাটালি পোর্টম্যান
(২০১০)
মেরিল স্ট্রিপ
(২০১১)
এমানুয়েল রিভা
(২০১২)
কেট ব্লানচেট
(২০১৩)
জুলিঅ্যান মুর
(২০১৪)
ব্রি লারসন
(২০১৫)
এমা স্টোন
(২০১৬)
ফ্র্যান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড
(২০১৭)
অলিভিয়া কলম্যান
(২০১৮)
রানে জেলওয়েগার
(২০১৯)
ফ্র্যান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড
(২০২০)
জোঅ্যানা স্ক্যানলান
(২০২১)
কেট ব্লানচেট
(২০২২)
এমা স্টোন
(২০২৩)
মাইকি ম্যাডিসন
(২০২৪)
জেসি বাকলি
(২০২৫)
দে
নাট্যধর্মী চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার
১৯৪৩–১৯৭৫
জেনিফার জোন্স
(১৯৪৩)
ইংরিদ বারিমান
(১৯৪৪)
ইংরিদ বারিমান
(১৯৪৫)
রোজালিন্ড রাসেল
(১৯৪৬)
রোজালিন্ড রাসেল
(১৯৪৭)
জেন ওয়াইম্যান
(১৯৪৮)
অলিভিয়া ডা হ্যাভিলন্ড
(১৯৪৯)
গ্লোরিয়া সোয়ানসন
(১৯৫০)
জেন ওয়াইম্যান
(১৯৫১)
শার্লি বুথ
(১৯৫২)
অড্রি হেপবার্ন
(১৯৫৩)
গ্রেস কেলি
(১৯৫৪)
আনা মানিয়ানি
(১৯৫৫)
ইংরিদ বারিমান
(১৯৫৬)
জোঅ্যান উডওয়ার্ড
(১৯৫৭)
সুজান হেওয়ার্ড
(১৯৫৮)
এলিজাবেথ টেইলর
(১৯৫৯)
গ্রির গারসন
(১৯৬০)
জেরাল্ডিন পেজ
(১৯৬১)
জেরাল্ডিন পেজ
(১৯৬২)
লেসলি কারোঁ
(১৯৬৩)
অ্যান ব্যানক্রফ্‌ট
(১৯৬৪)
সামান্থা ইগার
(১৯৬৫)
আনুক এমে
(১৯৬৬)
ইডিথ এভান্স
(১৯৬৭)
জোঅ্যান উডওয়ার্ড
(১৯৬৮)
জ্যনভিয়েভ ব্যুজো
(১৯৬৯)
অ্যালি ম্যাকগ্র
(১৯৭০)
জেন ফন্ডা
(১৯৭১)
লিভ উলমান
(১৯৭২)
মার্শা মেসন
(১৯৭৩)
জেনা রোলান্ডস
(১৯৭৪)
লুইস ফ্লেচার
(১৯৭৫)
১৯৭৬–২০০০
ফে ডানাওয়ে
(১৯৭৬)
জেন ফন্ডা
(১৯৭৭)
জেন ফন্ডা
(১৯৭৮)
স্যালি ফিল্ড
(১৯৭৯)
ম্যারি টাইলার মুর
(১৯৮০)
মেরিল স্ট্রিপ
(১৯৮১)
মেরিল স্ট্রিপ
(১৯৮২)
শার্লি ম্যাকলেইন
(১৯৮৩)
স্যালি ফিল্ড
(১৯৮৪)
উপি গোল্ডবার্গ
(১৯৮৫)
মার্লি ম্যাটলিন
(১৯৮৬)
স্যালি কার্কল্যান্ড
(১৯৮৭)
জোডি ফস্টার
শার্লি ম্যাকলেইন
সিগুর্নি উইভার
(১৯৮৮)
মিশেল ফাইফার
(১৯৮৯)
ক্যাথি বেট্‌স
(১৯৯০)
জোডি ফস্টার
(১৯৯১)
এমা টমসন
(১৯৯২)
হলি হান্টার
(১৯৯৩)
জেসিকা ল্যাং
(১৯৯৪)
শ্যারন স্টোন
(১৯৯৫)
ব্রেন্ডা ব্লেদিন
(১৯৯৬)
জুডি ডেঞ্চ
(১৯৯৭)
কেট ব্লানচেট
(১৯৯৮)
হিলারি সোয়াঙ্ক
(১৯৯৯)
জুলিয়া রবার্টস
(২০০০)
২০০১–বর্তমান
সিসি স্পেসেক
(২০০১)
নিকোল কিডম্যান
(২০০২)
শার্লিজ থেরন
(২০০৩)
হিলারি সোয়াঙ্ক
(২০০৪)
ফেলিসিটি হাফম্যান
(২০০৫)
হেলেন মিরেন
(২০০৬)
জুলি ক্রিস্টি
(২০০৭)
কেট উইন্সলেট
(২০০৮)
সান্ড্রা বুলক
(২০০৯)
ন্যাটালি পোর্টম্যান
(২০১০)
মেরিল স্ট্রিপ
(২০১১)
জেসিকা চ্যাস্টেইন
(২০১২)
কেট ব্লানচেট
(২০১৩)
জুলিঅ্যান মুর
(২০১৪)
ব্রি লারসন
(২০১৫)
ইজাবেল উপের
(২০১৬)
ফ্র্যান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড
(২০১৭)
গ্লেন ক্লোজ
(২০১৮)
রানে জেলওয়েগার
(২০১৯)
অ্যান্ড্রা ডে
(২০২০)
নিকোল কিডম্যান
(২০২১)
কেট ব্লানচেট
(২০২২)
লিলি গ্লাডস্টোন
(২০২৩)
ফেরনান্দা তোরেস
(২০২৪)
জেসি বাকলি
(২০২৫)
দে
শ্রেষ্ঠ বিদেশি অভিনেত্রী বিভাগে দাভিদ দি দোনাতেল্লো
১৯৫৭-১৯৭৫
ইংরিদ বারিমান
(১৯৫৭)
ডেবরা কার
(১৯৫৯)
অড্রি হেপবার্ন
(১৯৬০)
ব্রিজিত বারদো
(১৯৬১)
অড্রি হেপবার্ন
(১৯৬২)
জেরাল্ডিন পেজ
(১৯৬৩)
শার্লি ম্যাকলেইন
(১৯৬৪)
অড্রি হেপবার্ন
(১৯৬৫)
জুলি অ্যান্ড্রুজ
(১৯৬৬)
জুলি ক্রিস্টি
এলিজাবেথ টেলর
(১৯৬৭)
ফে ডানাওয়ে
ক্যাথরিন হেপবার্ন
(১৯৬৮)
মিয়া ফ্যারো
বারবারা স্ট্রাইস্যান্ড
(১৯৬৯)
লাইজা মিনেলি
(১৯৭০)
অ্যালি ম্যাকগ্র
(১৯৭১)
এলিজাবেথ টেলর
(১৯৭২)
লাইজা মিনেলি
(১৯৭৩)
বারবারা স্ট্রাইস্যান্ড
ট্যাটুম ওনিল
(১৯৭৪)
লিভ উলমান
(১৯৭৫)
১৯৭৬-১৯৯৬
ইজাবেল আদজানি
গ্লেন্ডা জ্যাকসন
(১৯৭৬)
ফে ডানাওয়ে
আন গিয়ারদো
(১৯৭৭)
জেন ফন্ডা
সিমন সিনিয়রে
(১৯৭৮)
ইংরিদ বারিমান
লিভ উলমান
(১৯৭৯)
ইজাবেল উপের
(১৯৮০)
কাত্রিন দ্যনোভ
(১৯৮১)
ডায়ান কিটন
(১৯৮২)
জুলি অ্যান্ড্রুজ
(১৯৮৩)
শার্লি ম্যাকলেইন
(১৯৮৪)
মেরিল স্ট্রিপ
(১৯৮৫)
মেরিল স্ট্রিপ
(১৯৮৬)
নর্মা আলেয়ান্দ্রো
(১৯৮৭)
শের
(১৯৮৮)
জোডি ফস্টার
(১৯৮৯)
জেসিকা ট্যান্ডি
(১৯৯০)
আন পারিয়ো
(১৯৯১)
জিনা ডেভিস
সুজান সার‍্যান্ডন
(১৯৯২)
এমানুয়েল বেয়ার
টিল্ডা সুইন্টন
এমা থম্পসন
(১৯৯৩)
এমা টমসন
(১৯৯৪)
জোডি ফস্টার
(১৯৯৫)
সুজান সার‍্যান্ডন
(১৯৯৬)
দে
সীমিত ধারাবাহিক বা টিভি চলচ্চিত্রে সেরা প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার
১৯৫২-১৯৭৫
হেলেন হেইস
(১৯৫২)
জুডিথ অ্যান্ডারসন
(১৯৫৪)
ম্যারি মার্টিন
(১৯৫৫)
ক্লেয়ার ট্রেভর
(১৯৫৬)
পলি বার্জেন
(১৯৫৮)
জুলি হ্যারিস
(১৯৫৯)
ইংরিদ বারিমান
(১৯৬০)
জুডিথ অ্যান্ডারসন
(১৯৬১)
জুলি হ্যারিস
(১৯৬২)
কিম স্ট্যানলি
(১৯৬৩)
শেলি উইন্টার্স
(১৯৬৪)
লিন ফনট্যান
(১৯৬৫)
সিমন সিনিয়রে
(১৯৬৬)
জেরাল্ডিন পেজ
(১৯৬৭)
মরিন স্ট্যাপলটন
(১৯৬৮)
জেরাল্ডিন পেজ
(১৯৬৯)
প্যাটি ডিউক
(১৯৭০)
লি গ্র্যান্ট
(১৯৭১)
গ্লেন্ডা জ্যাকসন
(১৯৭২)
সুজান হ্যামশায়ার
ক্লোরিস লিচম্যান
(১৯৭৩)
মিলড্রেড ন্যাটউইক
সিসেলি টাইসন
(১৯৭৪)
ক্যাথরিন হেপবার্ন
জেসিকা ওয়াল্টার
(১৯৭৫)
১৯৭৬-২০০০
সুজান ক্লার্ক
রোজম্যারি হ্যারিস
(১৯৭৬)
প্যাটি ডিউক
স্যালি ফিল্ড
(১৯৭৭)
মেরিল স্ট্রিপ
জোঅ্যান উডওয়ার্ড
(১৯৭৮)
বেটি ডেভিস
(১৯৭৯)
প্যাটি ডিউক
(১৯৮০)
ভানেসা রেডগ্রেভ
(১৯৮১)
ইংরিদ বারিমান
(১৯৮২)
বারবারা স্ট্যানউইক
(১৯৮৩)
জেন ফন্ডা
(১৯৮৪)
জোঅ্যান উডওয়ার্ড
(১৯৮৫)
মার্লো টমাস
(১৯৮৬)
জেনা রোলান্ডস
(১৯৮৭)
জেসিকা ট্যান্ডি
(১৯৮৮)
হলি হান্টার
(১৯৮৯)
বারবারা হার্শি
(১৯৯০)
লিন হুইটফিল্ড
(১৯৯১)
জেনা রোলান্ডস
(১৯৯২)
হলি হান্টার
(১৯৯৩)
কির্স্টি অ্যালি
(১৯৯৪)
গ্লেন ক্লোজ
(১৯৯৫)
হেলেন মিরেন
(১৯৯৬)
অ্যালফ্রি উডার্ড
(১৯৯৭)
এলেন বার্কিন
(১৯৯৮)
হেলেন মিরেন
(১৯৯৯)
হ্যালি বেরি
(২০০০)
২০০১-বর্তমান
জুডি ডেভিস
(২০০১)
লরা লিনি
(২০০২)
ম্যাগি স্মিথ
(২০০৩)
মেরিল স্ট্রিপ
(২০০৪)
এস. এপাথা মার্কারসন
(২০০৫)
হেলেন মিরেন
(২০০৬)
হেলেন মিরেন
(২০০৭)
হ্যালি বেরি
(২০০৮)
জেসিকা ল্যাং
(২০০৯)
ক্লেয়ার ডেইন্স
(২০১০)
কেট উইন্সলেট
(২০১১)
জুলিঅ্যান মুর
(২০১২)
লরা লিনি
(২০১৩)
জেসিকা ল্যাং
(২০১৪)
ফ্র্যান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড
(২০১৫)
সারা পলসন
(২০১৬)
নিকোল কিডম্যান
(২০১৭)
রেজিনা কিং
(২০১৮)
মিশেল উইলিয়ামস
(২০১৯)
রেজিনা কিং
(২০২০)
কেট উইন্সলেট
(২০২১)
অ্যামান্ডা সাইফ্রেড
(২০২২)
অ্যালি ওং
(২০২৩)
জোডি ফস্টার
(২০২৪)
দে
হাস্টি পুডিং বর্ষসেরা নারী
১৯৫১-১৯৭৫
গারট্রুড লরেন্স
(১৯৫১)
বারবারা বেল গেডিজ
(১৯৫২)
মামি আইসেনহাওয়ার
(১৯৫৩)
শার্লি বুথ
(১৯৫৪)
ডেবি রেনল্ডস
(১৯৫৫)
পেগি অ্যান গার্নার
(১৯৫৬)
ক্যারল বেকার
(১৯৫৭)
ক্যাথরিন হেপবার্ন
(১৯৫৮)
জোঅ্যান উডওয়ার্ড
(১৯৫৯)
ক্যারল লরেন্স
(১৯৬০)
জেন ফন্ডা
(১৯৬১)
পাইপার লরি
(১৯৬২)
শার্লি ম্যাকলেইন
(১৯৬৩)
রোজালিন্ড রাসেল
(১৯৬৪)
লি রেমিক
(১৯৬৫)
ইথেল মারম্যান
(১৯৬৬)
লরেন বাকল
(১৯৬৭)
অ্যাঞ্জেলা ল্যান্সবারি
(১৯৬৮)
ক্যারল বার্নেট
(১৯৬৯)
ডিয়ন ওয়ারউইক
(১৯৭০)
ক্যারল চ্যানিং
(১৯৭১)
রুবি কিলার
(১৯৭২)
লাইজা মিনেলি
(১৯৭৩)
ফে ডানাওয়ে
(১৯৭৪)
ভ্যালেরি হার্পার
(১৯৭৫)
১৯৭৬-২০০০
বেট মিডলার
(১৯৭৬)
এলিজাবেথ টেইলর
(১৯৭৭)
বেভারলি সিলস
(১৯৭৮)
ক্যান্ডিস বার্জেন
(১৯৭৯)
মেরিল স্ট্রিপ
(১৯৮০)
ম্যারি টাইলার মুর
(১৯৮১)
এলা ফিট্‌জেরাল্ড
(১৯৮২)
জুলি অ্যান্ড্রুজ
(১৯৮৩)
জোন রিভার্স
(১৯৮৪)
শের
(১৯৮৫)
স্যালি ফিল্ড
(১৯৮৬)
বার্নাডেট পিটার্স
(১৯৮৭)
লুসিল বল
(১৯৮৮)
ক্যাথলিন টার্নার
(১৯৮৯)
গ্লেন ক্লোজ
(১৯৯০)
ডায়ান কিটন
(১৯৯১)
জোডি ফস্টার
(১৯৯২)
উপি গোল্ডবার্গ
(১৯৯৩)
মেগ রায়ান
(১৯৯৪)
মিশেল ফাইফার
(১৯৯৫)
সুজান সার‍্যান্ডন
(১৯৯৬)
জুলিয়া রবার্টস
(১৯৯৭)
সিগুর্নি উইভার
(১৯৯৮)
গোল্ডি হন
(১৯৯৯)
জেমি লি কার্টিস
(২০০০)
২০০১-বর্তমান
ড্রিউ ব্যারিমোর
(২০০১)
সারা জেসিকা পার্কার
(২০০২)
অ্যাঞ্জেলিকা হিউস্টন
(২০০৩)
সান্ড্রা বুলক
(২০০৪)
ক্যাথরিন জিটা-জোন্স
(২০০৫)
হ্যালি বেরি
(২০০৬)
স্কার্লেট জোহ্যানসন
(২০০৭)
শার্লিজ থেরন
(২০০৮)
রানে জেলওয়েগার
(২০০৯)
অ্যান হ্যাথাওয়ে
(২০১০)
জুলিঅ্যান মুর
(২০১১)
ক্লেয়ার ডেইন্স
(২০১২)
মারিয়োঁ কোতিয়ার
(২০১৩)
হেলেন মিরেন
(২০১৪)
অ্যামি পোলার
(২০১৫)
কেরি ওয়াশিংটন
(২০১৬)
অক্টাভিয়া স্পেন্সার
(২০১৭)
মিলা কুনিস
(২০১৮)
ব্রাইস ডালাস হাওয়ার্ড
(২০১৯)
এলিজাবেথ ব্যাঙ্কস
(২০২০)
ভায়োলা ডেভিস
(২০২১)
জেনিফার গার্নার
(২০২২)
জেনিফার কুলিজ
(২০২৩)
অ্যানেট বেনিং
(২০২৪)
সিনথিয়া আরিভো
(২০২৫)
প্রবেশদ্বার
জীবনী
চলচ্চিত্র
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ
সাধারণ
আইএসএনআই
ভিআইএএফ
ওয়ার্ল্ডক্যাট (ভিআইএএফ হয়ে)
জাতীয় গ্রন্থাগার
নরওয়ে
চিলি
স্পেন
ফ্রান্স
(উপাত্ত)
কাতালুনিয়া
জার্মানি
ইতালি
ইসরায়েল
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
লাতভিয়া
জাপান
চেক প্রজাতন্ত্র
অস্ট্রেলিয়া
গ্রিস
কোরিয়া
ক্রোয়েশিয়া
নেদারল্যান্ডস
পোল্যান্ড
সুইডেন
শিল্প গবেষণা প্রতিষ্ঠান
শিল্পীর নাম (গেটি)
জীবনীমূলক অভিধান
জার্মানি
বৈজ্ঞানিক ডাটাবেজ
সিআইএনআইআই (জাপান)
অন্যান্য
ফ্যাসিটেড অ্যাপ্লিকেশন অফ সাবজেক্ট টার্মিনোলজি
মিউজিকব্রেইন্‌জ
শিল্পী
ন্যাশনাল আর্কাইভস (মার্কিন)
সোশ্যাল নেটওয়ার্ক অ্যান্ড আর্কাইভাল কনটেক্সট
সুডক (ফ্রান্স)
ট্রোভ (অস্ট্রেলিয়া)
' থেকে আনীত
বিষয়শ্রেণীসমূহ
ফন্ডা পরিবার
১৯৩৭-এ জন্ম
জীবিত ব্যক্তি
২০শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী
২১শ শতাব্দীর মার্কিন অভিনেত্রী
ইতালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
ওলন্দাজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
নরওয়েজীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
ফরাসি বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
মার্কিন টেলিভিশন অভিনেত্রী
মার্কিন নারীবাদী
মার্কিন মঞ্চ অভিনেত্রী
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার বিজয়ী
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (সেরা অভিনেত্রী - নাট্য চলচ্চিত্র) বিজয়ী
শ্রেষ্ঠ বিদেশি অভিনেত্রী বিভাগে দাভিদ দি দোনাতেল্লো বিজয়ী
সীমিত ধারাবাহিক বা চলচ্চিত্রে সেরা প্রধান অভিনেত্রী বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার বিজয়ী
এএফআই আজীবন সম্মাননা পুরস্কার প্রাপক
বিবিসি ১০০ নারী
মার্কিন এলজিবিটিকিউ অধিকার কর্মী
ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত অভিনেত্রী
জার্মান বংশোদ্ভূত অভিনেত্রী
মার্কিন নারী সক্রিয়কর্মী
নিউ ইয়র্কের অভিনেত্রী
মার্কিন পরিবেশবাদী
অডিওবই পাঠক
ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট
কলাম্বিয়া রেকর্ডসের শিল্পী
খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত
১৯৬০-এর দশকের প্রতিসংস্কৃতি
দাভিদ দি দোনাতেল্লো বিজয়ী
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার (বর্ষসেরা নবীন তারকা - অভিনেত্রী) বিজয়ী
ফায়ার আইল্যান্ডের ব্যক্তি
ওয়ার্নার রেকর্ডসের শিল্পী
নিউ ইয়র্ক শহরের লেখক
মার্কিন খ্রিস্টান
আটলান্টার লেখক
আর্ট স্টুডেন্টস লিগ অফ নিউ ইয়র্কের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
ভাসার কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
মার্কিন প্রতিষ্ঠাতা
ম্যানহাটনের লেখক
লুকানো বিষয়শ্রেণী:
এইচকার্ডের সাথে নিবন্ধসমূহ
উদ্ধৃতি শৈলীতে ইংরেজি ভাষার উৎস (en)
উদ্ধৃতি শৈলীতে ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষার উৎস (en-gb)
উদ্ধৃতি শৈলীতে মার্কিন ইংরেজি ভাষার উৎস (en-us)
ইংরেজি ভাষার বহিঃসংযোগ থাকা নিবন্ধ
লাল সংযোগযুক্ত প্রবেশদ্বারসহ প্রবেশদ্বার টেমপ্লেট
জেন ফন্ডা
আলোচনা যোগ করুন